Breaking News

ফের ডুবল হালিশহর, দোকান ও বাসা বাড়ীতে হাটু পানি।

  • গতকাল শনিবার রাত থেকে চট্টগ্রামে বৃষ্টি হচ্ছে। কখনো গুঁড়ি বৃষ্টি কখনো আবার মুষলধারে বৃষ্টি। চট্টগ্রামের হালিশহরের বি ব্লক, আই ব্লক, জে ব্লক, কে ব্লক এবং ছদু চৌধুরি রোডের আশপাশে কোথাও হাটু পানি কোথাও কোমর পানি জমে যায়।
    রাত ১২ টার পর থেকে টানা বৃষ্টিতে হালিশহরের বিভিন্ন বাসায় ও কলোনিতে পানি ঢুকে যায়। হালিশহর বি ব্লকের বাসিন্দা মোরশেদুল ইসলাম রানা বলেন, বি ব্লকে অনেক গুলো বাসার নিচ তলায় পানি ঢুকেছে। এতে করে আমাদের অনেক আসবাবপত্র ও জরুরি কাগজপত্র নষ্ট হয়েছে। হালিশহর বি ব্লকের বাসিন্দা হার্ডওয়ার ব্যবসায়ী নুরুল আবছার গত ৩ মাস ধরে ব্যবসা নিয়ে সমস্যায় আছেন। বৃষ্টি হলেই উনার দোকানের সামনে হাটু পানি হয়। এতে করে প্রায় উনার দোকানে পানি প্রবেশ করে লোহার তৈরী মালামাল নষ্ট হয়। হালিশহর নয়া বাজার এলাকার কাপড় ব্যবসায়ী জাহিদুল ইসলাম রাসেদ বলেন সকাল বেলা দোকান খুলে দেখেন দোকানের ভিতরে ১ ফিট পানি, মুঠোফোনে তিনি জানান দোকানে নিচের তাক গুলোতে থাকা বিভিন্ন জামা কাপড় ভিজে গেছে। বৃষ্টির পানি ঠিকভাবে নিষ্কাশন না হওয়ায় দোকানে পানি উঠে। এতে করে ব্যবসায়ীদের বিশাল লস হচ্ছে বলে জানান তিনি।
    গত ১৪ আগষ্ট সর্বশেষ প্রেস বিফ্রিং এ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) মেয়র মোঃ রেজাউল করিম বলেছিলেন নগরীতে পানি নিষ্কাশন না হওয়ার জন্য শুধু চসিক কে দায়ী করে সবাই। কিন্তু জলাবদ্ধতা নিরসন ও পানি নিষ্কাশনের জন্য চসিক, সিডিএ ও চট্টগ্রাম ওয়াসা সকলে দায়ী।
    এ সময় মেয়র বলেন, চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে তিনটি সংস্থা চারটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এবার রেকর্ড বৃষ্টি হওয়ায় এবং এ প্রকল্পগুলো শেষ না হওয়ায় প্রবল জলাবদ্ধতায় নগরবাসী কষ্ট পেয়েছেন। আমাদের সবাইকে দ্বন্দ্ব-বিভেদ ভুলে চট্টগ্রামের স্বার্থে একযোগে কাজ করতে হবে।
    এদিকে বৃষ্টিতে আজ সকালে পাঁচলাইশের ষোলশহরে পাহাড় ধ্বসের ঘটনা ঘটেছে। এতে বাবা ও মেয়ে প্রাণ হারিয়েছেন।

About tvsandwip

Check Also

ভাসানচর থেকে পালিয়ে আসা ৮ রোহিঙ্গা সন্দ্বীপের শীপে আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক, নভেম্বর ১২, ২০২৩ চট্টগ্রামের দ্বীপ উপজেলা সন্দ্বীপ হয়ে ভাসানচর থেকে পালাচ্ছিল ৮ রোহিঙ্গা।আজ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *